Tuesday, October 8, 2019

 স্মার্ট ফ্যান বাতাসের সাথে মসাও তাড়াবে

স্মার্ট ফ্যান বাতাসের সাথে মসাও তাড়াবে

বাতাস ও দিবে মসাও তাড়াবে স্মার্ট ফ্যান
স্মার্ট ফ্যান
স্মার্ট ফ্যান ছবি: ইন্টারনেট

তোমার হাত পাখার বাতাসে,
প্রাণ জুড়িয়ে আসে;
কিছু সময় আরো তুমি
থাকো আমার পাশে।
থাকো আমার পাশে।।
সখির সেই হাত পাখার বদলে আসল ডিজিটাল ডিবাইস ফ্যানের মতো দেবে ঠান্ডা বাতাস। একই সঙ্গে ঘর থেকে মশাও দূর করবে। এমনই এক স্মার্ট সিলিং ফ্যান নিয়ে এলো এলজি।

ফ্যানটির বিশেষ সুবিধা হলো মসকিউটো অ্যাওয়ে নামের একটি বিশেষ টেকনোলোজি। যার কারণে ফ্যানটি বাতাসের সঙ্গে মশা তাড়ানোর কাজও করবে। এছাড়াও ফ্যানে স্পিড মোড থাকায় রাতে আপনি ঘুমিয়ে গেলেও ঘরের তাপমাত্রা অনুযায়ী সেটি গতি নির্ধারিত হবে।

ফ্যানের বিশেষত্ব হলো, পূর্ণ গতিতে চললেও তাতে কোনো আওয়াজ হবে না। এছাড়াও ফ্যানে থাকবে ওয়াফাই সংযোগ সক্ষমতা। তাই এটি অ্যামাজন অ্যালেক্সা আর গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট সাপোর্ট করে। ফলে অনেক কাজ করা যাবে সেটির মাধ্যমে।



এছাড়াও ফ্যানে রয়েছে স্মার্ট থিংকিং অ্যাপ। ওই অ্যাপের সাহায্যে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই নিজেদের স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট থেকে এই ফ্যানটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

ফ্যানটিতে রয়েছে ইনস্ট্যান্ট অব থিংস সাপোর্ট এবং ডুয়াল ওয়িং ফ্যান ব্লেড। এছাড়া ফ্যানে থাকছে এলইডি ডিসপ্লে। ফ্যানের ভেতরে রয়েছে অ্যাডভানসড ইনভার্টার মোটর, যার ফলে এই ফ্যানের নিরাপত্তা ও স্থায়ীত্ব অনেক বেশি।


Monday, October 7, 2019

ইন্টারনেটের মালিক কে?

ইন্টারনেটের মালিক কে?

ভার্চুয়াল জগতে ন্টারনেটের মালিক 


ইন্টারনেট-Internet
ইন্টারনেট 


বর্তমান যুগে আমরা না খেয়ে থাকতে পাড়ি অথবা দু-তিন দিন না ঘুমিয়ে থাকতে পাড়ি কিন্তু ইন্টার নেট ছাড়া থাকতে পারি না। কিন্তু কখনো কি আপনার মনে প্রশ্ন জাগে নি এই ইন্টার নেট কিভাবে কাজ করে? কিভাবে আমাদের ডিবাইসে আসে? বা এই ইন্টারনেটের মালিক বা কে? কে পরিচালনা করে এই ইন্টার নেট এমন আজব আজব অজানা প্রশ্নের উত্তর জানাচ্ছি এই পোষ্টে,চলুন বিস্তারিত যেনে নেওয়া যাক,,,

বাংলাদেশে সহ প্রত্যেকটি দেশ ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত। কখনো কি ভেবে দেখেছেন সকলের কাছে এই ইন্টারনেট কিভাবে পৌছায়? সাধারন ভাবে আমরা মনে করি ইন্টারনেট স্যাটেলাইটেরর মাধ্যমে কাজ করে। বাস্তবটা একেবারেই ভিন্ন শতকরা ৯৯ভাগ ইন্টারনেট কাজ করে অপটিকেল ফাইবারের সাহায্যে। অপটিকেল ফাইবার হচ্ছে অত্যান্ত শুরু বিশেষ যা মানুষের চুলের চেয়েও চিকন।
এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে আমরা যখন মোবাইলে ইন্টারনেট চালাই তখন তো মোবাইলে ক্যাবল সংযুক্ত থাকে না! তাহলে আমি কেনই বা ক্যাবলের কথা বললাম আসলে যে টাওয়ার থেকে আপনার মোবাইলে ইন্টার নেট আসে সে টাওয়ার থেকে সার্ভার পর্যন্ত ক্যাবল বিছানো থাকে। এবার আমি বিস্তারিত ভাবে বলব যে ইন্টার নেট কিভাবে এবং কোন কোন ধাপে কাজ করে,,



ইন্টার নেট আমাদের কাছ পৌছায় তিনটি ভিন্ন ভিন্ন স্তরে এই স্তরটিকে বলে  tr 1,  tr2,  এবং tr3.

ইন্টারনেট-২০১৯
TR-1 কোম্পানি


Tr1 হচ্ছে যারা এক দেশে থেকে আরেক দেশে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে জালের মত অপটিকেল ফাইবার বিছিয়ে রেখেছে এভাবেই একটি দেশ হতে অন্য আরেকটি দেশে ক্যাবলের সাথে যুক্ত হয়ে যায় তারপর প্রদেশ  ভিবিন্ন জেলায় বিভক্ত হয়ে যায়। তারপর বিভিন্ন টাওয়ারে পৌছায় সেখান থেকে আপনার মোবাইলে ক্যাবল বিহীন ইন্টারনেট আপনার মোবাইলে পৌছায়। এভার বিষয়টা আমরা আরেকটু প্র্যাকটিকেলি বুঝার চেষ্টা করব,, এভাবে যারা বিভিন্ন দেশে ফাইবার ক্যাবলের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে  ইন্টারনেট সংযুক্ত দেয় তারা Tr1 কোম্পানি এই Tr1  ইন্টারনেট স্পিড থাকে যেমনভাবে সেকেন্ডেই হাজারগুন বিদ্যুৎ চমকায়। বাংলাদেশে এমন একটি রয়েছে যার বাংলাদেশ সাবমেরিন কোম্পানি যার মাধ্যমে দুটি সাব মেরিন স্টেশন আছে একটি কক্সবাজার অন্যটি কুয়াকাটায়।

ইন্টারনেট টাওয়ার
ইন্টারনেট টাওয়ার


মোবাইল টাওয়ারের মাধ্যমে জেলায় জেলায় যারা ইন্টারনেট পৌছে দেয় তারা Tr2 কোম্পানি তারা প্রতি প্যাকেজের মূল্য হিসাবে টি আর ১ কে কিছু নিদিষ্ট পরিমান অর্থ পেরন করে। টিআর ২ এর কাছে বিভিন্ন এজেন্ট বা প্রোভাইডার সাধারন ক্রেতার হাত পর্যন্ত যারা পৌছে দেয় তারা টিআর ৩।

আজকের পোষ্টি কেমন লাগল বা কথায় ভূল ত্রুটি হল আমাদেরকে জানাবেন এবং পরবর্তীতে কি ধরনের পোষ্ট পেতে চান তাহলে আমাদেরকে মেইল করুন netbd@gmail.com

Tuesday, October 1, 2019

কুমিল্লায়  পেয়াজ চুরি করতে গিয়ে  ৩  নোয়াখালি আটক

কুমিল্লায় পেয়াজ চুরি করতে গিয়ে ৩ নোয়াখালি আটক

 পেয়াজ চুরি করতে গিয়ে  ৩  নোয়াখালি আটক

পেয়াজ চোর
পেয়াজ চোর


কুমিলার চকবাজারে পেয়াজ চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় তিন চোরকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে গাছে বেঁধে রাখেন এলাকাবাসী। পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিয়ে তিন চোরকে তাদের হাতে সোপর্দ করে। মঙ্গলবার কুমিল্লার চকবাজার কাচাঁমার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃত চোর হৃদয় (২০) নোয়াখালির সদরের মৃত নাছির উদ্দিনের ছেলে। সে কুমিল্লায়  সদর উপজেলার  গাংচর এলাকার ভাড়াটিয়া হিসাবে বসবাস করে। রোহান (২১) নোয়াখালির মাইজদি মো. সিদ্দিক মিয়ার ছেলে। সে টিক্কারচর অন্য বাকীজন একইএলাকার ভাড়াটিয়া হিসাবে বসবাস করে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার চকবাজার কাচাবাজার এলাকার মুজিবুর রহমানের দোকানে পেয়াজ চুরি করতে তার দোকানে প্রবেশ করে। এ সময় ১০ কেজি চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় মুজিবুর টের পেয়ে যায়। তখন তিন চোরের সঙ্গে মুজিবুরের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে মুজিবুরের ছেলে সুলতান দোকান থেকে বের হয়ে তাদেরকে মারধর করতে থাকে। এ সময় তিন চোরের কিলঘুষিতে মুজিবুরের ছেলে  আহত হন। পরে তাদের ডাকচিৎকারে আশে পাশের লোকজন ছুটে এসে তিন চোরকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে গাছে বেঁধে ফেলেন। পরে বিকালে  বাজারের লোকজন সদর থানা পুলিশকে খবর দিয়ে আটককৃত তিন চোরকে তাদের হাতে সোপর্দ করে।

কোতয়ালি মডেল থানার এএসআই আজিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বাজারের লোকজনের সংবাদের ভিত্তিতে কাশারিয়া পট্টি গিয়ে এলাকাবাসীর হাত থেকে তিন চোরকে রক্ষা করে নিয়ে আসা হয়।আটককৃত দুই চোরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



Monday, September 30, 2019

STUDENT শব্দটির পূর্ণরুপঃ

STUDENT শব্দটির পূর্ণরুপঃ

STUDENT শব্দটির পূর্ণরুপঃ

student
students 



 উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে ছাত্র বা শিক্ষার্থী হল একজন অধ্যয়নকারী, যিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জ্ঞান অর্জনের জন্য অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষার্থীর কাজ শুধু জ্ঞানার্জন করাই নয়, বরং নিজেকে সুশিক্ষিত ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।

ছাত্র শব্দের মূল অর্থঃ "যে গুরুর দোষ ঢেকে রাখে।" সংস্কৃত ব্যাকরণ মতে ছাত্র এর নারীবাচক রুপ "ছাত্রী"। অথ্যাৎ, ছাত্রী বলতে বোঝায় ছাত্রের স্ত্রী বা স্ত্রী লিঙ্গরুপ।


S = Study (অধ্যয়ন)📖

T = Truthfullness (সত্যব্যয়িতা)🚹

U = Unity (একতা)🚻

D = Discipile (নিয়ামানুবতিতা)🚯

E = Economy (মিতব্যয়িতা)🔣

N = Nationality (জাতীয়তা)🇧🇩

T = Training (প্রশিক্ষন)♿

পোষ্টটি কেমন লাগল দয়া করে মতামত পোষন করবেন। আপনাদের উপকারে আসা বা ভালোলাগা ই আমাদের পরবর্তীতে কাজ করতে উৎসাহ যোগায়।

মধুর গুনাগুন ও উপকারিতা

মধুর গুনাগুন ও উপকারিতা

মধুর গুনাগুন ও উপকারিতা
মধু
মুধু ছবি : ইন্টানেট



মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ নামক দুই ধরনের সুগার থাকে। অবশ্য সুক্রোজ ও মালটোজও খুব অল্প পরিমাণে আছে। মধু নির্ভেজাল খাদ্য। এর শর্করার ঘনত্ব এত বেশি যে, এর মধ্যে কোনো জীবাণু ১ ঘণ্টার বেশি সময় বাঁচতে পারে না। এতে ভিটামিন এ, বি, সি প্রচুর পরিমাণ বিদ্যমান। অনেক প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানও আছে। যেমন- এনজাইম বা উৎসেচক, খনিজ পদার্থ (যথা পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ), এছাড়াও প্রোটিন আছে। মধুতে কোনো কোলস্টেরল নেই। সুস্থ অসুস্থ যে কেউ মধু খেতে পারেন। সুস্থ মানুষ দিনে দু’চা-চামচ মধু অনায়াসে খেতে পারেন। বেশি খেতে চাইলে শর্করা জাতীয় খাদ্য ভাত, রুটি, আলু কমিয়ে খেতে হবে। অন্যথা মোটিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে পরিমিত পরিমাণ খেলে মোটা হওয়ার ভয় নেই। হজমের গোলমাল, হার্টের অসুখ, ডায়াবেটিস প্রভৃতিরোগে আধা চা-চামচ এর বেশি মধু না খাওয়াই ভালো। পোড়া, ক্ষত ও সংক্রমণের জায়গায় মধু লাগালে দ্রুত সেরে যায়। আল্লাহতায়ালা মধুর ভিতরে প্রচুর কর্মশক্তি রেখেছেন


মুধু সম্পর্কে কোরআন কি বলে?


আরবি পরিভাষায় মধুপোকা বা মৌমাছিকে ‘নাহল’(نحل) বলা হয়। পবিত্র কোরআনে এই নামে একটি স্বতন্ত্র সূরা বিদ্যমান আছে। সূরা নাহল এর আয়াত ৬৯-এ আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন--

"তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার।"[১২]

মধু হচ্ছে  ওষুধ এবং খাদ্য উভয়ই। মধুকে বলা হয়- বিররে এলাহি ও তিব্বে নব্বী। অর্থাৎ খোদায়ী চিকিৎসা ও নবী করীম (সা.)- এর বিধানের অন্তর্ভুক্ত। সূরা মুহাম্মদ- এর ১৫ আয়াতে আল্লাহ তায়ালার এরশাদ হচ্ছে- “জান্নাতে স্বচ্ছ মধুর নহর প্রবাহিত হবে।”[১৩]

খাদ্য ও ঋতুর বিভিন্নতার কারণে মধুর রঙ বিভিন্ন হয়ে থাকে। এ কারণেই কোন বিশেষ অঞ্চলে কোন বিশেষ ফল-ফুলের প্রাচুর্য থাকলে সেই এলাকার মধুতে তার প্রভাব ও স্বাদ অবশ্যই পরিলক্ষিত হয়। মধু সাধারণত তরল আকারে থাকে তাই একে পানীয় বলা হয়। মধু যেমন বলকারক খাদ্য এবং রসনার জন্য আনন্দ ও তৃপ্তিদায়ক, তেমনি রোগ ব্যাধির জন্যও ফলদায়ক ব্যবস্থাপত্র। কেন হবে না, স্রষ্টার ভ্রাম্যমাণ মেশিন সর্বপ্রকার ফল-ফুল থেকে বলকারক রস ও পবিত্র নির্যাস বের করে সুরক্ষিত গৃহে সঞ্চিত রাখে। মধুর আরো একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য এই যে, নিজেও নষ্ট হয় না এবং অন্যান্য বস্তুকে দীর্ঘকাল পর্যন্ত নষ্ট হতে দেয় না। এ কারণেই হাজারো বছর ধরে চিকিৎসকরা একে অ্যালকোহল (Alcohol)- এর স্থলে ব্যবহার করে আসছেন। মধু বিরেচক এবং পেট থেকে দূষিত পদার্থ অপসারক।

রাসূলুল্লাহ (সা.)- এর কাছে কোন এক সাহাবি তার ভাইয়ের অসুখের বিবরণ দিলে তিনি তাকে মধু পান করানোর পরামর্শ দেন। দ্বিতীয় দিনও এসে আবার সাহাবি বললেন- অসুখ পূর্ববৎ বহাল রয়েছে। তিনি আবারো একই পরামর্শ দিলেন। তৃতীয় দিনও যখন সংবাদ এল যে, অসুখের কোন পার্থক্য হয়নি, তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন- আল্লাহর উক্তি নিঃসন্দেহে সত্য, তোমার ভাইয়ের পেট মিথ্যাবাদী। উদ্দেশ্য এই যে, ওষুধের কোনো দোষ নেই। রোগীর বিশেষ মেজাজের কারণে ওষুধ দ্রুত কাজ করেনি। এর পর রোগীকে আবার মধু পান করানো হয় এবং সে সুস্থ হয়ে উঠে।

মধুর নিরাময় শক্তি বিরাট ও সতন্ত্র ধরনের। কিছু সংখ্যক আল্লাহওয়ালা বুজর্গ ব্যক্তি এমনও রয়েছেন, যারা মধু সর্বরোগের প্রতিষেধক হওয়ার ব্যাপারে নিঃসন্দেহ। তারা ফোড়া ও চোখের চিকিৎসাও মধুর মাধ্যমে করেন। দেহের অন্যান্য রোগেরও চিকিৎসা মধুর দ্বারা করেন। হজরত ইবনে ওমর (রা.) সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তার শরীরে ফোঁড়া বের হলেও তিনি তাতে মধুর প্রলেপ দিয়ে চিকিৎসা করতেন। এর কারণ জিজ্ঞাসিত হলে তিনি বলেন- আল্লাহ তায়ালা কোরআনে কি বলেননি যে, তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার। -(কুরতুবী) [১৪]



মধু কি কি উপকারে আসে?


* রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায়,
মধু শরীরের রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায় এবং শরীরের  ভেতরে ও বাইরে যেকোনো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতাও জোগান দেয়। মধুতে আছে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধকারী উপাদান, যা অনাকাঙ্ক্ষিত সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে।

বিভিন্ন ভাইরাসের আক্রমণে বিভিন্ন রোগ প্রায়ই দেহকে দুর্বল করে দেয়। এসব ভাইরাস প্রতিরোধে মধু খুবই কার্যকর।



★হজমে সহায়তা

মধুতে যে পরিমাণ শর্করা থাকে তা হজমে সাহায্য করে। কারণ এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাত্ক্ষণিকভাবে কাজ করে।



★কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

মধুতে রয়েছে ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ভোরে ১ চা চামচ খাঁটি মধু খেলে কোষ্ঠবদ্ধতা ও অম্লত্ব দূর হয়।



★রক্তশূন্যতায়

মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ এতে থাকে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।



★ফুসফুসের রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়

বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী।

কেউ কেউ মনে করেন, এক বছরের পুরনো মধু শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো।



★গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তিতে

হজম সমস্যার সমাধানেও কাজ করে মধু। গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি পেতে একজন ব্যক্তি দিনে তিন বেলা দুই চামচ করে মধু খেতে পারেন।



★ প্রশান্তিদায়ক পানীয়

হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশ্রিত মধু একটি প্রশান্তিদায়ক পানীয় হিসেবে অসাধারণ।



★মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায়

মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায় মধু ব্যবহূত হয়। দাঁতে ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষয়রোধ হয়। দাঁতে পাথর জমাট বাঁধা রোধ করে এবং দাঁত পড়ে যাওয়াকে বিলম্বিত করে। মধু রক্তনালিকে সমপ্রসারিত করে দাঁতের মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষা করে। যদি মুখের ঘায়ের জন্য গর্ত হয়। এটি সেই গর্ত ভরাট করতে সাহায্য করে এবং সেখানে পুঁজ জমতে দেয় না। মধু মিশ্রিত কুসুম গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করলে মাড়ির প্রদাহ দূর হয়।



★পাকস্থলীর সুস্থতায়

মধু পাকস্থলীর কাজকে জোরালো করে এবং হজমের গোলমাল দূর করে। এর ব্যবহার হাইড্রোক্লোরিক এসিড ক্ষরণ কমিয়ে দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুক জ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়।



জেনে নিন মধুতে কি কি উপাদান আছে......


*    মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত। প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু রং চা কিংবা দুধের সঙ্গে খেতে পারেন। রূপচর্চায় রোজকার ফেসপ্যাকেও ব্যবহার করতে পারেন এক চামচ মধু। মধু ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর করে ও মুখের ত্বকে ভাঁজ পড়া রোধ করে।

*    মধু শরীরের ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গার চিকিত্সায় ব্যবহার করা হয়। মধুতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। কোথাও পুড়ে, কেটে গেলে ক্ষত স্থানে মধুর একটি পাতলা প্রলেপ দিয়ে দিন। ব্যথা কমবে ও দ্রুত নিরাময় হবে। মধুতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান, যা ক্ষত পরিষ্কার হতে সাহায্য করে ও ব্যথা, ঘ্রাণ, পুঁজ ইত্যাদি হ্রাস করে দ্রুত ক্ষত নিরাময় করে।

*   মধুতে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান, যা ছত্রাক ও অন্যান্য কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বককে ঠিক করতে সাহায্য করে ও নতুন ত্বক গঠনে ভূমিকা রাখে। চর্মরোগ হলে নিয়মিত আক্রান্ত স্থানে মধু লাগান। ১ চামচ মধুর সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

*    মধুতে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ, যা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরের চামড়াকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। অনেকটা প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে মধু। রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ১ চামচ মধুর সঙ্গে পানি মিশিয়ে প্রতিদিন মুখে ফেসপ্যাকের মতো লাগান। রোদে পোড়াজনিত কালো দাগ দূর হয়ে উজ্জ্বল হবে মুখ।

*    মধুতে বিদ্যমান গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও শর্করা শরীরে শক্তি সবরাহে কাজ করে। প্রতিদিন সকালে ১ চামচ মধু সারা দিনের জন্য দেহের পেশির ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে ও আপনাকে রাখে এনার্জিতে ভরপুর।

*    প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে মধুতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম রক্তে প্রবেশ করে এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এভাবে মধু রক্তস্বল্পতা রোগকে প্রতিরোধ করে।

*    মধু ঠোঁটের ওপরের শুষ্ক ত্বক ও কালচে ভাব দূর করে ঠোঁটকে নরম ও গোলাপি করে তুলতে সহায়তা করে।

*    প্রতিদিন মধু খাওয়া হলে দেহের ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি হয়। দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

*    মধু ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে হজমশক্তি বাড়ে। ফলে খাবারের ক্যালোরি দ্রুত ক্ষয় হয়।

•    যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন ১ চামচ আদার রসের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খান। দ্রুত আরোগ্য হবে।

আজীবন যৌবন ধরে রাখবে আমলকি

আজীবন যৌবন ধরে রাখবে আমলকি

 যৌবন ধরে রাখবে আমলকি

আমলকির গুনাগুন
আমলকি ছবি: সংগৃহীত 

আঠার বছরের বালক থেকে ৬০ বছরের বৃদ্ব ও চেষ্টা করে সারা জীবন যৌবনে কোঠায় বাস করতে কেউ কেউ তার পরিশ্রমের মাধ্যমে ভেষজ ঔষধ ব্যবহারই বেচে থাকে যুগের পর যুগ তার মধ্যে আমলকি অন্যতম চলুন যেনে নেই আমলকির গুনাগুন

আমলকি ভেষজ গুণে অনন্য একটি ফল। এর ফল ও পাতা দু'টিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও আমলকি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হয়।


আমলকিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলালেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।


আমলকি খাওয়ার ০৯টি কার্যকর উপকারিতা :


১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।


২. আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে।


৩. আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।


৪. প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।


৫. এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।


৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী।


৭. আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।


৮. ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।


৯. প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।


১০. শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।
আমাদের পোষ্ট যদি

Sunday, September 29, 2019

রাগ-অভিমান করে স্ত্রীর গায়ে প্রস্রাব করলেন মন্ত্রী

রাগ-অভিমান করে স্ত্রীর গায়ে প্রস্রাব করলেন মন্ত্রী

রাগ করে স্ত্রীর গায়ে প্রস্রাব করলেন মন্ত্রী

স্ত্রীর গায়ে প্রস্রাব করলেন মন্ত্রী
মন্ত্রী বাবুরাম ও তার স্ত্রী

স্ত্রীর সাথে রাগ বা অভিমান করে অনেকেই সোসাইড,ডিবোর্স এমন কি দ্বিতীয় বিয়ের কথা শুনা যায় হরহামেশা কিন্তু ভারতের উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী বাবুরাম নিশাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন তার স্ত্রী। তার অভিযোগ, মন্ত্রী বন্দুকের ভয় দেখিয়ে তাকে নির্যাতন করেন। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে মা, বাবা, ভাইসহ তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। এখানেই শেষ নয়, নির্যাতনের সীমা ছাড়িয়ে সম্প্রতি তিনি তার গায়ে প্রস্রাব করে দিয়েছেন।

ফেসবুকে এসব অভিযোগ এনেছেন মন্ত্রীর স্ত্রী নিতু নিশাদ। তার অভিযোগ, স্বামীর নির্যাতনের বিষয়ে পুলিশকে জানালেও কেনো ফল হয়নি। উল্টো বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেছেন মন্ত্রী।

সম্প্রতি বাবুরাম নিশাদের স্ত্রী ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। এতে তিনি লিখেছেন, ‘আমি বাবুরাম নিশাদের স্ত্রী। আমাদের প্রায় ১৪ বছর বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর থেকে স্বামী আমার ওপর অত্যাচার করে। আমি বারবার পুলিশকে জানিয়েছি। তবে তাতে লাভ কিছুই হয়নি। পরিবর্তে আলোচনা করে স্বামীর সঙ্গে অশান্তি মিটিয়ে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। এদিকে, পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ায় অত্যাচারের পরিমাণ আরও বেড়ে গেছে। স্বামী আমার দিকে বন্দুক তাক করে বারবার মারধর করে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে খুন করে দেয়ারও হুমকি দিয়েছে সে। আমার বাবা, ভাই তাদেরও খুনের হুমকি দেয় বাবুরাম। এ ছাড়া আমার গায়ের ওপরেই প্রস্রাবও করে দিয়েছে স্বামী।’

পুলিশের কাছে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েও কোনো সাহায্য না পেয়ে চরম অসহায় হয়ে পড়েছেন এই নারী। তার আত্মীয়-স্বজনের পরামর্শে বাধ্য হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে চিঠি লিখেছেন তিনি। তবে নির্যাতিতার অভিযোগ, তা সত্ত্বেও এখনো পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি।

এদিকে স্ত্রীর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মন্ত্রী বাবুরাম নিশাদ। এই স্ত্রীকে নিয়ে না কি সংসার করা খুব কঠিন বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘আমার স্ত্রী অত্যন্ত বিলাসবহুল জীবনে অভ্যস্ত। তাই প্রচুর পরিমাণ টাকার প্রয়োজন হয় তার। হাতে টাকা পেলেই দামি জিনিসপত্র কিনে ফেলে। আর টাকা দিতে না পারলেই ঝগড়া শুরু করে দেয়।’

এসব অভিযোগ এনে আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেছেন বাবুরাম। তবে এখনো এই মামলার কোনো নিষ্পত্তি হয়নি।

সম্প্রতি টিকটক ভিডিও প্রকাশ করে বিপাকে জড়ান বাবুরাম। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে বিপাকে উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী

Saturday, September 28, 2019

বিল গেটসের সাথে শেখ হাসিনার সৌজন্যে সাক্ষাত

বিল গেটসের সাথে শেখ হাসিনার সৌজন্যে সাক্ষাত

বিল গেটস শেখ হাসিনার সাক্ষাত 

বিল গেটস-শেখ হাসিনা
বিল গেটস শেখ হাসিনা সাক্ষাত
ছবি:সংগৃহীত 


জাতিসংঘের ৭৪ তম সাধারন অধিবেশন যোগ দেওয়ার পর আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার সকালে লোটে প্যালেস নিউইয়র্ক হোটেলে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে আসেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, ন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল অব নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিজঅর্ডার অ্যান্ড অটিজম অব বাংলাদেশের চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বের অন্যতম ধনী মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস দাতব্য সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার।

৫১ বিলিয়ন ডলারের বেশি তহবিল নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দাতব্য সংস্থাগুলোর একটি ফাউন্ডেশন।

ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়তে ৫ হাজার কোটি ডলারের বেশি দান করেছে বিল গেটসের সেই ফাউন্ডেশন। এ ছাড়া তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোতে শত শত কোটি ডলার সহায়তা করে চলেছেন বিশ্বের এই শীর্ষ ধনী।

বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের জন্যও কাজ করে থাকে। তবে তাদের বেশিরভাগ তহবিল সরাসরি বাংলাদেশে আসে না। তারা গ্লোবাল ফান্ডসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে অর্থ দেয় আর সেখান থেকে বাংলাদেশে কাজ করা এনজিওগুলো অর্থ পায়।

সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বিল গেটসের সম্পদের পরিমাণ ৯৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন।

সেখানে বিল গেটস ছাড়া ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রসিকিউটর ফাতৌ বেনসৌদা, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডি এবং ইউনেস্কোর সাবেক মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা ও এক্সন মবিল এলএনজি ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান অ্যালেক্স ভি ভলকোভও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মার্কিন থিংক ট্যাংক ‘কাউন্সিল অন ফরেইন রিলেশনস’ আয়োজিত ‘এ কনভারসেশন উইথ প্রাইম মিনিস্টার শেখ হাসিনা’ শীর্ষক সংলাপে বক্তব্য রাখেন।

সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর

Friday, September 27, 2019

শামীমের সঙ্গে সম্পর্ক ও ক্যাসিনো নিয়ে নায়িকার রত্নার ফেসবুক স্ট্যাটাস

শামীমের সঙ্গে সম্পর্ক ও ক্যাসিনো নিয়ে নায়িকার রত্নার ফেসবুক স্ট্যাটাস

ক্যাসিনো ও টেন্ডার নিয়ে নায়িকার রত্নার ফেসবুক স্ট্যাটাস
শামীম রত্না
ক্যাসিনো শামীম ও রত্না




এ যেন থলের বিড়াল বাহির হচ্ছে সম্প্রতি ঢাকায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ ক্যাসিনোতে চলছে অভিযান। সেই অভিযানে গ্রে'ফতার করা হয় টেন্ডার সম্রাট জি কে শামীমকে।
ক্যাসিনোতে অভিযানের পর থেকেই বার বার উঠছিলো বিভিন্ন উঠতি মডেল ও নায়িকাদের নাম, যাদের ব্যবহার করে টেন্ডার তদবির করতেন তিনি।

সম্প্রতি পুলিশের হাতে আট'ক ক্যাসিনো মালিক ও টেন্ডার সন্ত্রাস জি কে শামীম গোয়েন্দা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে টেন্ডার পেতে চলচ্চিত্রের নায়িকাদের ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছেন। এরপর থেকেই শুরু হয় চলচ্চিত্র পাড়ায় নতুন করে আলোচনা।


বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র অনুযায়ী ঢাকাই সিনেমার কয়েক জন নায়িকার কথা উঠে আসছে বার বার। যাদের মাঝে চিত্রে নায়িকা রত্না নাম রয়েছে ।

এদিকে জি কে শামীমের সাথে কোন স'ম্পর্ক নেই এমনকি শামীমকে ব্যক্তিগতভাবে চিনেননা দাবি করে চিত্রনায়িকা রত্না বৃহস্পতিবার তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। যেখানে তিনি প্রকৃত দোষীদের নাম প্রকাশ করার অনুরোধ জানান প্রশাসনের কাছে। রত্নার স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধ'রা হলো-

‘আমি তদন্ত কর্মকর্তাদের নিকট আকুল আবেদন করছি জি কে শামীম নামক লোকটির সাথে জড়িত নায়িকাদের সঠিক নাম বের করে আনার জন্য। আর না হয় এভাবে তিন নায়িকা সাত নায়িকা…..সন্দেহে অনেক হলদে সাংবাদিক নিজেদের ফায়দা লুটার চেষ্টায় মগ্ন।


আমি শতভাগ নিশ্চিত যেসকল খবর ছাপা হচ্ছে তারা কোনরকম প্রমাণ ছাড়াই করছেন।আমি আশা করবো জুয়া খেলার যে অভিযান দেশে চলছে….এর সাথে মানুষের মান নিয়ে কিছু সাংবাদিক বরাবরই জুয়া খেলে ফায়দা লুটার চেষ্টা করে। সরকার এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিকট আকুল আবেদন আপনারা এই জিকে শামীমকে নিয়ে জড়িয়ে যারা মিথ্যা খবর ছাপিয়ে কিছু নির্দোষ শিল্পীর মান নষ্ট করেছে তাদের আইনগত ব্যবস্থা নিবেন, কারণ তারা শুধু ভুল তথ্য ছাপায় তা নয় অন্তরালে ঐ নায়িকার সাথে অনেক অপকর্মে ব্যর্থ হয়ে পরেই নির্দোষকে দোষী করে আর দোষীরা এই সুযোগে পার পেয়ে যায়।


আমি সকল প্রকৃত সাংবাদিক ভাইদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলছি আপনারাও এই মূর্খ হলদে সাংবাদিক গুলোকে চিহ্নিত করুন এবং প্রতিবাদ করুন।


আমি লক্ষ্য করেছি, প্রথম দিন জিকে শামীম এই নামটির সাথে অন্য পাঁচজন নায়িকার নাম সম্পৃক্ত করা হয়। পরদিন অন্য তিনজন এগুলো দেখেই বুঝা যাচ্ছে আনুমানিক ডিল। এগুলোতে জানিনা কী' লাভ আপনাদের।

আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করে বের হয়েছি। আইন বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বর্তমানে আইন চর্চায় ব্যস্ত। আর এসব ডিগ্রী আমি নিয়েছি চলচ্চিত্রে এসে। আমার চলচ্চিত্রে কাজ করে অন্য কোনদিকে দৌড়ানোর সময় কখনও ছিলোনা। আমার চলচ্চিত্র সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গ, আত্মীয়, বন্ধুমহল, সকলেই আমার সম্পর্কে জানেন। যদিও আপনাদের এই বিভ্রান্তিকর নিউজ আমার বা আমার আত্মীয়, পরিবারের মনে কোন বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবুও এমন ভুল তথ্য আপনাদের পবিত্র কলম দিয়ে কেন ছাপাবেন?

আমি অনেক অনুষ্ঠানে গিয়েছি কাজের সুবাদে অনেক জায়গার যাওয়াও হয়, যদি একদিন জি কে শামীমকে কোথাও দেখতাম সকলকে জানাতাম। অমুক জায়গায় দেখেছি। এটা দোষের কিছু নয়। কারণ সে জুয়ারী কিংবা তার কত কোটি টাকা তার আছে এটাতো আর আমি জানতাম না এতে আমার দোষ কোথায় স্বীকার করতে। কিন্তু জীবনে কোনদিন তার নামটি শুনিনি আমি। কোনদিন কোন অনুষ্ঠানেও দেখা হয়নি। কিন্তু কিছু মিডিয়া আমার ছবি না জেনে ব্যবহার করছে। আমি তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করলাম আমি জি কে শামীমকে চিনিনা।

আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান হিসেবে সরকারের নিকট এবং প্রশাসনের নিকট সহায়তা চাইছি। এর সুষ্ঠু ত'দন্তের ফলাফল বের করে যেনো দ্রুত এর একটা সমাধান করা হয়।’

এদিকে নায়িকা রত্না ছাড়াও শিমলা আরো কয়েকজন রয়েছেন জিকে শামীমের সকল সহকর্মী, সহযোদ্ধা ও তার সাথে জড়িতদের  নিয়ে কাজ করতে আইনসৃংখলা বাহিনী মাঠে কাজ করছে বলে জানিয়েন ঢাকা মেট্রো কমিশনার

টি-টোয়েন্টি   র‍্যাংকিংয়ে  শীর্ষ পাঁচ জনের তালিকা

টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষ পাঁচ জনের তালিকা

টি-টোয়েন্টি   র‍্যাংকিংয়ে  শীর্ষ পাঁচ 

       

টি-টোয়িন্টি (T-20)
টি-টোয়িন্টি পাঁচ সেরা

ব্যাটসম্যান                     রেটিং পয়েন্ট


১ (-) বাবর আজম                           ৮৯৬!
২ (-) গ্লেন ম্যাক্সওয়েল                      ৮১৫!
৩ (-) কলিন মানরাে                          ৭৯৬
৪ (-) অ্যারন ফিঞ্চ                            ৭৮২
৫ (-) হজরতউল্লাহ জাজাই               ৭২৭


বােলার                          রেটিং পয়েন্ট

                       


১ (-) রশিদ খান                                 ৭৫৭
২ (-) ইমাদ ওয়াসিম                           ৭১০
৩ (-) শাদাব খান                               ৭০৬
৪ (-) আদিল রশিদ                            ৭০২
৫ (-) মিচেল স্যান্টনার                        ৬৭৩


অলরাউন্ডার                    রেটিং পয়েন্ট


১ (-) নে মাক্সওয়েল                           ৩৯০
২ (-) সাকিব আল হাসান                   ৩৫৫
৩ (-) মোহাম্মদ নবী                             ৩৪৯
৪ (-২) রিচি বেরিংটন                         ২৫৩
৫ (-১) মাহমুদউল্লাহ                           ২৩৪


* বন্ধনীতে অবস্থান পরিবর্তন, ! ক্যারিয়ার সেরা রেটিং পয়েন্ট।
| ২৩৪

Tuesday, September 24, 2019

ক্যাসিনো শামীমের ব্যাংক হিসাবে ৩০০ কোটি টাকা

ক্যাসিনো শামীমের ব্যাংক হিসাবে ৩০০ কোটি টাকা

ক্যাসিনো শামীমের ব্যাংক হিসাবে ৩০০ কোটি টাকা!
ক্যাসিনো শামীমের ব্যাংক হিসাবে ৩০০ কোটি টাকা। www.net21bd.com
চলতি সপ্তাহে সবচেয়ে ভাইরালকৃত
ক্যাসিনো শামীম
ছবি: সংগৃহীত


চলতি সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি ভাইরাল ব্যাক্তি  পনের দিন আগেও যার নাম শুনেনি, যিনি একের পর এক খবর তৈরী করছেন যার ডানে/বামে মদ থেকে শুরু করে সবই থাকে তিনিই এই বছরের সবচেয়ে আলোচিত সমালোচিত ক্যাসিনো শামীম।

রিমান্ডে থাকা যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের ব্যাংক হিসাবে লেনদেন স্থগিত (অবরুদ্ধ) করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাঁর ব্যাংক হিসাবে ৩০০ কোটি টাকা আছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, গতকাল রোববার সকালে জি কে শামীমের হিসাব থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য বড় বড় অঙ্কের চেক কয়েকটি ব্যাংকে জমা পড়ে। এরপর ব্যাংকগুলো থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগাযোগ করে পরামর্শ চাওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক দুপুরের মধ্যেই নির্দেশনা জারি করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়, জি কে শামীম, তাঁর স্ত্রী ও মা-বাবার নামে থাকা সব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করতে হবে। এ-সংক্রান্ত সব তথ্য পাঁচ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে বলা হয়।

এস এম গোলাম কিবরিয়া ওরফে শামীম নিজের নাম সংক্ষেপ করে বলতেন জি কে শামীম। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জি কে বিল্ডার্সের মালিক তিনি।



গত শুক্রবার র‍্যাব সদস্যরা জি কে শামীমের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে হানা দিয়ে তাঁকে ও তাঁর সাত দেহরক্ষীকে গ্রেপ্তার করেন। এরপর সেখান থেকে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা, ১৬৫ কোটি টাকার স্থায়ী আমানতের (এফডিআর) কাগজপত্র (তাঁর মায়ের নামে ১৪০ কোটি), ৯ হাজার ইউএস ডলার, ৭৫২ সিঙ্গাপুরি ডলার, একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং মদের বোতল জব্দ করে র‍্যাব।

অস্ত্র ও মাদক মামলায় জি কে শামীম এখন ১০ দিনের রিমান্ডে আছেন। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত শনিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত এই আদেশ দেন।

Sunday, September 22, 2019

স্লিম হওয়ার ১০ টি সহজ উপায়:

স্লিম হওয়ার ১০ টি সহজ উপায়:

সহজ উপায়ে স্লিম হন

স্লিম হওয়ার ১০ টি সহজ উপায়: www.net21bd.com
স্লিম হওয়ার সহজ উপায় ছবিঃ সংগৃহীত 


অনেকেই হয়তো মোটা হওয়ার জন্য পাগল ছিলেন বিভিন্ন ধরনের বনাজী, হোমিও ঔষধ ও সেবন করেছেন কিন্তু কাজ হয়নি আবার কারো বেলায় হয়েছে।বয়স বাড়ার সাথে সাথে যখন মোটা হয়ে গেছেন বা যাচ্ছেন এখন শরীর কমানোর চেষ্টা করছেন হয়তো পারছেন না বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে বিয়ের পর পর মোটা হওয়ার প্রবনতাটা বেশি।

 কিন্তু কি কারনে মোটা হচ্ছেন বা স্লিম হতে করনীয় কি চলুন বিস্তারিত জেনে আসি

১।  রাতে ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন।

২। রাতে খাওয়ার পর অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট পায়চারি করুন।

৩। দুধ, ছানা ও টকদই খান প্রচুর পরিমাণে । তবে এগুলো ফ্যাট ফ্রি হতে হবে।

৪। খেতে বসার আগেই প্ল্যান করে নিন কি খাবেন আর কতটুকু খাবেন। পরিকল্পনা থাকলে কম খাবেন। আর না থাকলে বেশি ক্যালরি খেয়ে নেওয়ার প্রবণতা থাকবে।

৫। লো-ক্যালরিযুক্ত খাবার মানেই যে সিদ্ধ, বিস্বাদ খাবার তা কিন্তু নয়। সুস্বাদু করে রান্নার পদ্ধতি জেনে নিন।


৫। খাবার আস্তে আস্তে চিবিয়ে খাবেন। এতে মুখের ভেতরের এনজাইম বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা কম খাবারে পেট ভরাতে সাহায্য করে।


৬। দিনে যেকোনো একটা ফল বা তরকারি কাঁচা খাওয়ার চেষ্টা করুন।


৭। প্রতিদিন একই ফল, খাবার, তরকারি খাবেন না। সব কিছু মিশিয়ে খেলে পুষ্টির পরিমাণ ঠিক থাকবে। খেতে একঘেয়েও লাগবে না।

৮। প্রতিদিন শরীর সুস্থ রাখতে ৮ ঘন্টা ঘুমাবেন।


৯। হোটেলের খাবার পুরি,সিংঙ্গারা,চমুছা তেলে ভাজা জাতীয় খাবার পরিহার করুন


১০। আরসি,৭আপ,কোকাকোলা কমল পানীয় থেকে বিরত থাকুন

পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন।
আপনার যদি কমেন্ট করতে কষ্ট হয়, তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir).
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই। সবাই লাইক ও শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের দেখার সুযোগ করে দিন। আপনার শেয়ারেও কেউ উপকৃত হবে! আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য। প্রতিদিন ডাক্তারি সকল প্রকার সেবা পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিন।। ধন্যবাদ।

Saturday, September 21, 2019

Facebook ভেংঙ্গে দিতে বললেন ট্রাম্প,

Facebook ভেংঙ্গে দিতে বললেন ট্রাম্প,

Facebook ভেংঙ্গে দিতে বললেন ট্রাম্প, 
Facebook ভেংঙ্গে দিতে বললেন ট্রাম্প, www.net21bd.com
ফেইসবুক

জাকারবার্গ হাত ধরে গড়ে ওঠা স্বপ্নের ফেইসবুক সময়ে অসময়ে বিভিন্ন তর্ক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। মায়ানমারে রোহিংগাদের নিয়ে ওসকানিদাতা হিসেবে ফেইসবুকে নামই ছিল প্রথম।

বছর জুড়েই ফেসবুকের বিরুদ্ধে ওঠা প্রতিযোগিতা, ডিজিটাল প্রাইভেসি, সেন্সরশিপ ও রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন নিয়ে স্বচ্ছতার আইনি প্রশ্নে জর্জরিত প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। তারই জের ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কংগ্রেসের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাকারবার্গ। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।

গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাকারবার্গের সঙ্গে সাক্ষাতের একটি ছবি টুইটারে পোস্ট করেন।

সেখানে দেখা গেছে, হাত মিলিয়ে জাকারবার্গের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করছেন ট্রাম্প। ছবিটির ক্যাপশনে ট্রাম্প লিখেছেন- ওভাল অফিসে দারুণ সাক্ষাৎ হলো ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গের সঙ্গে।

এ ব্যাপারে বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত এক খবরে বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, ওভাল অফিসের ওই সাক্ষাৎকারে জাকারবার্গকে ফেসবুক ভেঙে দেওয়ার আহ্বান জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

তবে ট্রাম্পের সেই আহ্বান তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যানও করেন মার্ক জাকারবার্গ। ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ও জাকারবার্গের মধ্যে ভবিষ্যৎ ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ এবং এ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফেসবুকের একজন মুখপাত্র।